হিংস্রতার বিগ্রহ

কবিতারা আজ হলাহল পানে মত্ত,
আজকাল কবিতারা শব্দ হননে অভ্যস্ত।
হিংসাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি যোজন দূরেও জ্বালাও-পোড়াও নিয়ে ব্যস্ত।
আহাজারি করেও কেউ চলে যায়, উপেক্ষা করেও কেউ কেউ ফেলে যায়!
এই যে যাওয়া আশা, এই যে হিসেব কষা-
অতঃপর মৃতের তালিকায় হয় আদমশুমারী!
কি অদ্ভুত তাই না?
তোমরা যারা হিংসায় আসক্ত-
সে বোধেই আমার প্রণতি –
বলোতো একটা শিশু যুদ্ধের কী বুঝে?
মুহুর্তেই জন্ম হওয়া শিশু জানে না কী তার অপরাধ?
মতান্তরের উর্ধে বুঝি!
অথচ, জানি না নিম্নে তোমায় কোথায় পূজি।
উথাল-পাতাল হামাগুড়ি
এই ভূমি কম্পন দিয়ে বলো এ কিছু নয় সুড়সুড়ি!
থামাও তোমার ছলাকলা,
থামাও তোমার শিল্পকলা।
বিস্তীর্ন বনাঞ্চল জানে না বৃক্ষের কী দোষ,
তাকেও অঙ্গার হতে হবে জ্বলেপুড়ে।
জানে না পশু পাখি কীটপতঙ্গ তাঁদের কে পুরে ছাই হতে হবে,
অথচ, ঘুমকে ইবাদতের বুলি আওড়াতে আওড়াতে তোমরাই শান্তি নামক বিভীষিকা হও!
নয়তো ঘুমন্ত শিশুর কি অপরাধ, তাকেও কেন যুদ্ধের দামামায় অন্তহীন ঘুমাতে হবে?
হে যুদ্ধ তুমি এবার প্রেমিকের হাসিমাখা মুখ হও,
হে প্রেম তুমি কী প্রেমিকার কাপড়গুজা মুখের সুখ নও?
